পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি বলেছেন, শব্দদূষণের বিষয়টি শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। রোববার পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’র সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রায়হান কাওছার, বিআরটিএর পরিচালক (অপারেশন) মীর আহমেদ তারিকুল ওমর, অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুন নাহার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক।
সচিব মো. রায়হান কাওছার শব্দদূষণের কারণে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানান, এই প্রকল্পের আওতায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ জারির পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মোট ২৯,৪৭৮টি মামলা করে ১ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করেছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রকল্প টিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। কর্মশালায় দেশের ৬৪ জেলায় শব্দের মানমাত্রা বিষয়ক জরিপ প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রকল্পটি ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়েছে এবং এর মোট বরাদ্দ ছিল ৫,৪৮৪.৮৯ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের আওতায় ৬৪ জেলায় শব্দের মানমাত্রা পরিমাপ সংক্রান্ত জরিপ সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি সংরক্ষিত তথ্যভান্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও গবেষণা কার্যক্রমে সহায়ক হবে।
রিপোর্টারের নাম 



















