ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বিনিয়োগ বাড়াতে অনলাইন ওয়ান-স্টপ সেবা জোরদার করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে এবং এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে ঘোরার বিড়ম্বনা বন্ধ করতে একটি কেন্দ্রীয় অনলাইনভিত্তিক ‘ওয়ান-স্টপ উইন্ডো’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)-এর প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, পরিবেশ ও অগ্নিনিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়, তাই সব ক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সরকার দ্রুততম সময়ে ‘প্রভিশনাল’ বা অস্থায়ী লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করবে, যাতে তারা প্রাথমিক কাজ শুরু করতে পারেন।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শন কার্যক্রম সমন্বিত করা হবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের বারবার বিভিন্ন দপ্তরে না গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার অধীনে সব পরিদর্শন একবারে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে। সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পথ আরও প্রশস্ত করা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের আকাশপথে বাংলাদেশের রূপরেখা: জাতীয় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন শুরু

বিনিয়োগ বাড়াতে অনলাইন ওয়ান-স্টপ সেবা জোরদার করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে এবং এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে ঘোরার বিড়ম্বনা বন্ধ করতে একটি কেন্দ্রীয় অনলাইনভিত্তিক ‘ওয়ান-স্টপ উইন্ডো’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)-এর প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, পরিবেশ ও অগ্নিনিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়, তাই সব ক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সরকার দ্রুততম সময়ে ‘প্রভিশনাল’ বা অস্থায়ী লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করবে, যাতে তারা প্রাথমিক কাজ শুরু করতে পারেন।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শন কার্যক্রম সমন্বিত করা হবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের বারবার বিভিন্ন দপ্তরে না গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার অধীনে সব পরিদর্শন একবারে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে। সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পথ আরও প্রশস্ত করা।