চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি, আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানিও শেষ হয়েছে। মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে সোমবার আসামি মনির হোসেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালত বাদী ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ।
সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালতে মামলার শেষ ধাপের আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, শুনানিকালে আসামি মনির হোসেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও তার পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়নি। তবে, ঘটনার দিন ধারণ করা একটি ভিডিওতে নিজের স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য সম্পর্কে আদালত জানতে চাইলে আসামি সেটি তারই বক্তব্য বলে স্বীকার করেন।
তিনি আরও জানান, আদালত মঙ্গলবার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন। যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে অগ্রসর হবে। রাষ্ট্রপক্ষের এ কৌঁসুলি বলেন, মামলাটিতে মোট তিন কার্যদিবসে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গত বুধবার নয়জন, বৃহস্পতিবার ছয়জন এবং রোববার তিনজনসহ মোট ১৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুর মাঠসংলগ্ন একটি গুদামকক্ষে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ রিপোর্ট এবং ভুক্তভোগী ও আসামির জবানবন্দি পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। আসামি মনিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরের ঘারঘাটা এলাকায়। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া এলাকার মিয়াখান নগরে থাকতেন এবং চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেটরের দোকানে কাজ করতেন।
রিপোর্টারের নাম 























