হবিগঞ্জের বাহুবলে পূর্ব বিরোধের জেরে পাঁচ গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে শেলু মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং উভয় পক্ষে শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ও সন্ধ্যায় উপজেলার আদিত্যপুর গ্রামের সাথে পার্শ্ববর্তী আব্দাফৌজদা, খাসেরগাও, মুগকান্দি ও হারিছপুর গ্রামবাসীর মাঝে দুই দফা সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সোমবার বেলা একটার দিকে আদিত্যপুর ও আব্দাফৌজদা গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে পার্শ্ববর্তী খাসেরগাও, হারিছপুর ও মুগকান্দি গ্রামের লোকজন আব্দাফৌজদা গ্রামের পক্ষ নিলে সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশসহ জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এসময় উভয় পক্ষের ৫ জন করে ১০ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে থানায় বসে বিরোধ মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত হয়।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সন্ধ্যায় স্থানীয় ডুবাই বাজারে হঠাৎ উভয় পক্ষের লোকজন পুনরায় সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে আদিত্যপুর গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে শিলু মিয়া (৪৫) গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহতদের বাহুবল ও হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, লাশ পুলিশ হেফাজতে নিয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 






















