ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সংসদে বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মুসলিম নারীদের ধর্মীয় পোশাক বোরকা ও হিজাব নিয়ে একজন সংসদ সদস্যের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং ধর্মীয় বিদ্বেষের প্রকাশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, বোরকা ও হিজাব মুসলিম নারীদের সাংবিধানিক ও ধর্মীয় অধিকার। এই বিধান নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ কোটি কোটি তৌহিদী জনতার হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলামের চেতনা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত সহ্য করা হবে না। জাতীয় সংসদ দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী পবিত্র প্রতিষ্ঠান। সেখানে দাঁড়িয়ে ইসলামবিদ্বেষী ও উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করে জনগণের কাছে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে? এটি বিকৃত মানসিকতার পরিচায়ক।

হেফাজত নেতারা অবিলম্বে আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। অন্যথায়, তৌহিদী জনতা রাজপথে কঠোর জবাব দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। তারা জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে ইসলাম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং শালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মেরুকরণ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় আশার আলো, তবে অনেক প্রশ্ন অমীমাংসিত

সংসদে বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

আপডেট সময় : ১০:১৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মুসলিম নারীদের ধর্মীয় পোশাক বোরকা ও হিজাব নিয়ে একজন সংসদ সদস্যের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং ধর্মীয় বিদ্বেষের প্রকাশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, বোরকা ও হিজাব মুসলিম নারীদের সাংবিধানিক ও ধর্মীয় অধিকার। এই বিধান নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ কোটি কোটি তৌহিদী জনতার হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলামের চেতনা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত সহ্য করা হবে না। জাতীয় সংসদ দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী পবিত্র প্রতিষ্ঠান। সেখানে দাঁড়িয়ে ইসলামবিদ্বেষী ও উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করে জনগণের কাছে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে? এটি বিকৃত মানসিকতার পরিচায়ক।

হেফাজত নেতারা অবিলম্বে আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। অন্যথায়, তৌহিদী জনতা রাজপথে কঠোর জবাব দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। তারা জাতীয় সংসদসহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে ইসলাম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং শালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।