ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতা নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়ায় একটি সালিশি বৈঠক চলাকালীন বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং তিনি ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। সোমবার বিকেলে এই দাম্পত্য কলহের বিষয় নিষ্পত্তির জন্য এলাকায় একটি সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠক চলাকালীন উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। হামলায় জাহাঙ্গীরসহ ৫-৬ জন আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের রঙে সেজেছে তিতাসের নন্দীরচর সেতু: ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতা নিহত

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়ায় একটি সালিশি বৈঠক চলাকালীন বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং তিনি ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। সোমবার বিকেলে এই দাম্পত্য কলহের বিষয় নিষ্পত্তির জন্য এলাকায় একটি সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠক চলাকালীন উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। হামলায় জাহাঙ্গীরসহ ৫-৬ জন আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।