ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপ: পরাশক্তিদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত বেলজিয়াম

ফুটবল বিশ্বকাপ বরাবরই কেবল সেরাদের প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি এমন একটি মঞ্চ যেখানে অপ্রত্যাশিত ফলাফলও ঘটে থাকে। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, কিছু দল আছে যারা প্রায়শই অঘটন ঘটিয়ে পরাশক্তিদের স্তব্ধ করে দেয়। ট্রফি জয়ের অন্যতম ফেভারিট দলগুলোর পাশাপাশি এই ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে পরিচিত দলগুলো টুর্নামেন্ট শুরু হতেই বড় দলগুলোকে হারিয়ে সমীকরণ ওলটপালট করে দেয়।

রেকর্ড ৪৮টি দল নিয়ে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর হতে চলেছে। ম্যাচ ও দলের সংখ্যা বাড়ায় নকআউট পর্বের সমীকরণ আরও দীর্ঘ ও জটিল হবে। এবারের টুর্নামেন্টে বড় দলগুলোর জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এমন কয়েকটি দলের মধ্যে বেলজিয়াম অন্যতম।

বিগত এক দশক ধরে বেলজিয়ামকে প্রতিটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ফেভারিট বা অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। কাতার বিপর্যয়ের পর দলটিতে ব্যাপক রদবদল এসেছে এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে বেলজিয়ামের সেই চেনা রূপটি পুরোপুরি বদলে গেছে।

ফরাসি কোচ রুডি গার্সিয়ার অধীনে দলটির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং খেলার ধরনে পরিবর্তন এসেছে। ডেটা-ভিত্তিক বিশ্লেষণের চেয়ে গার্সিয়া কিছুটা প্রথাগত ফুটবল দর্শনে বিশ্বাসী এবং ফুটবলারদের মানসিকতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে তিনি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন। গার্সিয়ার অধীনে বেলজিয়ামের বর্তমান স্কোয়াডটি মূলত তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার মিশ্রণ। মাঝমাঠের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে এখনো আছেন কেভিন ডি ব্রুইনা, যার পাসিং রেঞ্জ এবং দূরদর্শিতা বিশ্বমানের। উইংয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জেরেমি ডোকুর গতি ও ড্রিবলিং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য চিন্তার কারণ। আক্রমণে রয়েছেন দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার রোমেলু লুকাকু, আর্সেনালের লিয়ান্দ্রো ত্রোসার এবং চার্লস ডি কেটেলারে। গার্সিয়ার অধীনে বেলজিয়াম সাধারণত ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে খেলে, যা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এভারেস্ট জয়ী নুরুননাহার নিম্নিকে পূবালী ব্যাংকের সংবর্ধনা

২০২৬ বিশ্বকাপ: পরাশক্তিদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত বেলজিয়াম

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপ বরাবরই কেবল সেরাদের প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি এমন একটি মঞ্চ যেখানে অপ্রত্যাশিত ফলাফলও ঘটে থাকে। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, কিছু দল আছে যারা প্রায়শই অঘটন ঘটিয়ে পরাশক্তিদের স্তব্ধ করে দেয়। ট্রফি জয়ের অন্যতম ফেভারিট দলগুলোর পাশাপাশি এই ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে পরিচিত দলগুলো টুর্নামেন্ট শুরু হতেই বড় দলগুলোকে হারিয়ে সমীকরণ ওলটপালট করে দেয়।

রেকর্ড ৪৮টি দল নিয়ে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর হতে চলেছে। ম্যাচ ও দলের সংখ্যা বাড়ায় নকআউট পর্বের সমীকরণ আরও দীর্ঘ ও জটিল হবে। এবারের টুর্নামেন্টে বড় দলগুলোর জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এমন কয়েকটি দলের মধ্যে বেলজিয়াম অন্যতম।

বিগত এক দশক ধরে বেলজিয়ামকে প্রতিটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ফেভারিট বা অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। কাতার বিপর্যয়ের পর দলটিতে ব্যাপক রদবদল এসেছে এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে বেলজিয়ামের সেই চেনা রূপটি পুরোপুরি বদলে গেছে।

ফরাসি কোচ রুডি গার্সিয়ার অধীনে দলটির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং খেলার ধরনে পরিবর্তন এসেছে। ডেটা-ভিত্তিক বিশ্লেষণের চেয়ে গার্সিয়া কিছুটা প্রথাগত ফুটবল দর্শনে বিশ্বাসী এবং ফুটবলারদের মানসিকতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে তিনি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন। গার্সিয়ার অধীনে বেলজিয়ামের বর্তমান স্কোয়াডটি মূলত তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার মিশ্রণ। মাঝমাঠের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে এখনো আছেন কেভিন ডি ব্রুইনা, যার পাসিং রেঞ্জ এবং দূরদর্শিতা বিশ্বমানের। উইংয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জেরেমি ডোকুর গতি ও ড্রিবলিং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য চিন্তার কারণ। আক্রমণে রয়েছেন দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার রোমেলু লুকাকু, আর্সেনালের লিয়ান্দ্রো ত্রোসার এবং চার্লস ডি কেটেলারে। গার্সিয়ার অধীনে বেলজিয়াম সাধারণত ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে খেলে, যা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।