যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তির আওতায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেওয়ার পর সোমবার তেলের দাম কমতে শুরু করে।
বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য নির্ধারণী বেঞ্চমার্ক ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম ৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৩.৮১ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও ৪.৭ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮০.৮৯ ডলারে নেমে এসেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, আগামী ১৯ জুন শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই নৌপথটি বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘লিপো অয়েল অ্যাসোসিয়েটস’-এর অ্যান্ড্রু লিপো জানিয়েছেন, মাইন অপসারণ এবং ট্যাংকারের জট কমাতে কয়েক সপ্তাহ থেকে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এদিকে, এই চুক্তিকে বিনিয়োগকারীরা স্বাগত জানানোয় সোমবার এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতেও ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। জাপানের ‘নিক্কেই ২২৫’ সূচক সকালে ৪.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















