ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশে, খাদ্যপণ্যের চাপ বৃদ্ধি

চলতি বছরের মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর আগে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল।

বিবিএস-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, টানা চার মাস মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চ মাসে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এপ্রিল ও মে মাসে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশে পৌঁছেছিল, যা মার্চে ছিল ৮.৭১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি মাসে এই হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ এবং জানুয়ারিতে ৮.৫৮ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চিত্র আরও স্পষ্ট। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৬ শতাংশে, যা আগের মাস এপ্রিলে ছিল ৮.৩৯ শতাংশ। ভোজ্যতেল, শাকসবজি, ডিম ও মুরগির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে। এই খাতে মে মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৭১ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯.৫৭ শতাংশ। জ্বালানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এই খাতের মূল্যস্ফীতি বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

বিবিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯.৪৮ শতাংশে, যা এপ্রিলে ছিল ৯.০৫ শতাংশ। শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৯.২৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি আরও শোচনীয়: ওবামা

মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশে, খাদ্যপণ্যের চাপ বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

চলতি বছরের মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর আগে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল।

বিবিএস-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, টানা চার মাস মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চ মাসে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এপ্রিল ও মে মাসে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশে পৌঁছেছিল, যা মার্চে ছিল ৮.৭১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি মাসে এই হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ এবং জানুয়ারিতে ৮.৫৮ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চিত্র আরও স্পষ্ট। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৬ শতাংশে, যা আগের মাস এপ্রিলে ছিল ৮.৩৯ শতাংশ। ভোজ্যতেল, শাকসবজি, ডিম ও মুরগির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে। এই খাতে মে মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৭১ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯.৫৭ শতাংশ। জ্বালানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এই খাতের মূল্যস্ফীতি বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

বিবিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯.৪৮ শতাংশে, যা এপ্রিলে ছিল ৯.০৫ শতাংশ। শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৯.২৫ শতাংশে পৌঁছেছে।