ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

শিশু রামিসা হত্যা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ড, বাবার ন্যায়বিচার প্রাপ্তির স্বস্তি

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত দুই আসামি, সোহেল এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করা হয় রোববার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন কর্তৃক।

এই রায়কে ন্যায়বিচার হিসেবে অভিহিত করে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে এই দণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এই রায়ে আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। আমি শতভাগ খুশি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা এই কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি। বিচারপতি, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিকসহ যারা এই কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে হত্যার যে রায় আজ আদালত দিয়েছে, তা আমরা দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।’

রায় ঘোষণার প্রাক্কালে আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন যে, হত্যার পূর্বে রামিসাকে ধর্ষণ এবং তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়াও, আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় এটি প্রতীয়মান হয় যে সে স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছে। তার স্ত্রী স্বপ্না স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছিলেন বলেও আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন।

মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। মাত্র চার কার্যদিবসের মধ্যে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

শিশু রামিসা হত্যা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ড, বাবার ন্যায়বিচার প্রাপ্তির স্বস্তি

আপডেট সময় : ০১:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত দুই আসামি, সোহেল এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করা হয় রোববার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন কর্তৃক।

এই রায়কে ন্যায়বিচার হিসেবে অভিহিত করে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে এই দণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এই রায়ে আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। আমি শতভাগ খুশি। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা এই কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি। বিচারপতি, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিকসহ যারা এই কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে হত্যার যে রায় আজ আদালত দিয়েছে, তা আমরা দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।’

রায় ঘোষণার প্রাক্কালে আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন যে, হত্যার পূর্বে রামিসাকে ধর্ষণ এবং তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়াও, আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় এটি প্রতীয়মান হয় যে সে স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছে। তার স্ত্রী স্বপ্না স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছিলেন বলেও আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন।

মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। মাত্র চার কার্যদিবসের মধ্যে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে।