ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সাত মাস পর মুক্তি পেলেন ৯১ বাংলাদেশি মৎস্যজীবী, ফিরছে ৪ ট্রলারও

দীর্ঘ সাত মাসের অনিশ্চয়তা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৯১ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী। আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে আটকের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে চারটি মাছ ধরার ট্রলারসহ তাদের আন্তর্জাতিক জলসীমার উদ্দেশে পাঠানো হয়, যেখানে ভারত ও বাংলাদেশের নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাদের বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত মাস আগে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশের চারটি ট্রলার অনিচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা অতিক্রম করে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করে। এ সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী ট্রলারসহ ৯১ জন মৎস্যজীবীকে আটক করে। পরে তাদের ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং আদালতের নির্দেশে তারা দীর্ঘ সময় ভারতীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

দুই দেশের প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মৎস্যজীবীদের মুক্তির পথ সুগম হয়। শনিবার সকালে ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে ট্রলারগুলো রওনা দেয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আটক চারটি ট্রলারের মালিকদের মধ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন মাঝি ও নুর মোহাম্মদ সওদাগর, আলি আকবর ডেইল ইউনিয়নের রত্নসেন জলদাশ এবং পটুয়াখালী জেলার ইউছুফ সওদাগর রয়েছেন। মৎস্যজীবীদের পাশাপাশি তাদের ট্রলারগুলোও দেশে ফেরত আনা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের নতুন প্যাকেজ ভিসা: বাংলাদেশসহ ৭ দেশের পর্যটকদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

সাত মাস পর মুক্তি পেলেন ৯১ বাংলাদেশি মৎস্যজীবী, ফিরছে ৪ ট্রলারও

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

দীর্ঘ সাত মাসের অনিশ্চয়তা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৯১ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী। আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে আটকের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে চারটি মাছ ধরার ট্রলারসহ তাদের আন্তর্জাতিক জলসীমার উদ্দেশে পাঠানো হয়, যেখানে ভারত ও বাংলাদেশের নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাদের বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত মাস আগে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশের চারটি ট্রলার অনিচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা অতিক্রম করে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করে। এ সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী ট্রলারসহ ৯১ জন মৎস্যজীবীকে আটক করে। পরে তাদের ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং আদালতের নির্দেশে তারা দীর্ঘ সময় ভারতীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

দুই দেশের প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মৎস্যজীবীদের মুক্তির পথ সুগম হয়। শনিবার সকালে ফ্রেজারগঞ্জ মৎস্যবন্দর থেকে ট্রলারগুলো রওনা দেয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আটক চারটি ট্রলারের মালিকদের মধ্যে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন মাঝি ও নুর মোহাম্মদ সওদাগর, আলি আকবর ডেইল ইউনিয়নের রত্নসেন জলদাশ এবং পটুয়াখালী জেলার ইউছুফ সওদাগর রয়েছেন। মৎস্যজীবীদের পাশাপাশি তাদের ট্রলারগুলোও দেশে ফেরত আনা হচ্ছে।