ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় ফ্রান্স-মরক্কো বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল

সর্বশেষ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল ফ্রান্স। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ওসমান দেম্বেলে একটি করে গোল করেন। ম্যাচটি শুধু ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেনি, বরং ফুটবল ইতিহাসের পাতায় যুক্ত করেছে বেশ কিছু অবিস্মরণীয় রেকর্ড ও পরিসংখ্যান।

এই ম্যাচের মাধ্যমে কিলিয়ান এমবাপ্পে এক বিশ্বকাপে গোল, অ্যাসিস্ট ও পেনাল্টি মিস করার মতো বিরল রেকর্ডের মুখোমুখি হন, যা গত ৬০ বছরে মাত্র চতুর্থবারের মতো ঘটেছে। এছাড়াও, প্রথমার্ধে এমবাপ্পের নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো ১৯৬৬ সালের পর (টাইব্রেকারসহ) বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি পেনাল্টি সেভের কীর্তি গড়েন। একই ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে এটি ছিল এমবাপ্পের তৃতীয়বার, যা মেসির (পাঁচবার) পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

ফ্রান্স এই জয়ের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বারের মতো (২০১৮, ২০২২) বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে, যা ফুটবল ইতিহাসে জার্মানি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দল হিসেবে তাদের এই কীর্তি। এটি ছিল ফ্রান্সের অষ্টম বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, যা ব্রাজিলের সমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এছাড়াও, আর্জেন্টাইন রেফারিদের পরিচালনায় বিশ্বকাপে এটি ছিল ফ্রান্সের ষষ্ঠ জয়, যা কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড। বিশ্বকাপে ফ্রান্সের মোট জয়ের সংখ্যা এখন ৪৫, যা ইতালির সমান যৌথভাবে চতুর্থ সর্বোচ্চ। ওসমান দেম্বেলে এই ম্যাচে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের পঞ্চম গোলটি করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের নতুন প্যাকেজ ভিসা: বাংলাদেশসহ ৭ দেশের পর্যটকদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় ফ্রান্স-মরক্কো বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল

আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল ফ্রান্স। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ওসমান দেম্বেলে একটি করে গোল করেন। ম্যাচটি শুধু ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেনি, বরং ফুটবল ইতিহাসের পাতায় যুক্ত করেছে বেশ কিছু অবিস্মরণীয় রেকর্ড ও পরিসংখ্যান।

এই ম্যাচের মাধ্যমে কিলিয়ান এমবাপ্পে এক বিশ্বকাপে গোল, অ্যাসিস্ট ও পেনাল্টি মিস করার মতো বিরল রেকর্ডের মুখোমুখি হন, যা গত ৬০ বছরে মাত্র চতুর্থবারের মতো ঘটেছে। এছাড়াও, প্রথমার্ধে এমবাপ্পের নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো ১৯৬৬ সালের পর (টাইব্রেকারসহ) বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি পেনাল্টি সেভের কীর্তি গড়েন। একই ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে এটি ছিল এমবাপ্পের তৃতীয়বার, যা মেসির (পাঁচবার) পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

ফ্রান্স এই জয়ের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বারের মতো (২০১৮, ২০২২) বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে, যা ফুটবল ইতিহাসে জার্মানি ও ব্রাজিলের পর তৃতীয় দল হিসেবে তাদের এই কীর্তি। এটি ছিল ফ্রান্সের অষ্টম বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, যা ব্রাজিলের সমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এছাড়াও, আর্জেন্টাইন রেফারিদের পরিচালনায় বিশ্বকাপে এটি ছিল ফ্রান্সের ষষ্ঠ জয়, যা কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড। বিশ্বকাপে ফ্রান্সের মোট জয়ের সংখ্যা এখন ৪৫, যা ইতালির সমান যৌথভাবে চতুর্থ সর্বোচ্চ। ওসমান দেম্বেলে এই ম্যাচে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের পঞ্চম গোলটি করেন।