ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

কবি জসীম উদ্‌দীনের দৃষ্টিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন: ‘যে দেশে মানুষ বড়’

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের ভ্রমণকাহিনিগুলো কেবল ভৌগোলিক বর্ণনার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানবিক অনুভূতির এক অনন্য দলিল। তাঁর রচিত ‘যে দেশে মানুষ বড়’ গ্রন্থটি ষাটের দশকের শেষের দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণের এক জীবন্ত ইতিবৃত্ত। এই বইয়ে তিনি তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং মানুষের মানবিক মর্যাদাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

কবি মস্কো ও লেনিনগ্রাদের মতো ঐতিহাসিক শহরগুলোতে ঘুরে সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনধারা ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গুণমান দেখেছেন। তাঁর দৃষ্টিতে, সোভিয়েত ইউনিয়নের বড়ত্ব কেবল সামরিক বা প্রযুক্তিগত শক্তিতে নয়, বরং সাধারণ মানুষকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যেই নিহিত। লেনিনের আদর্শে অনুপ্রাণিত সমাজব্যবস্থায় মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদা কবিকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছিল। এই ভ্রমণকাহিনিটি আজও বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কবি জসীম উদ্‌দীনের দৃষ্টিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন: ‘যে দেশে মানুষ বড়’

আপডেট সময় : ১২:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের ভ্রমণকাহিনিগুলো কেবল ভৌগোলিক বর্ণনার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানবিক অনুভূতির এক অনন্য দলিল। তাঁর রচিত ‘যে দেশে মানুষ বড়’ গ্রন্থটি ষাটের দশকের শেষের দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণের এক জীবন্ত ইতিবৃত্ত। এই বইয়ে তিনি তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং মানুষের মানবিক মর্যাদাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

কবি মস্কো ও লেনিনগ্রাদের মতো ঐতিহাসিক শহরগুলোতে ঘুরে সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনধারা ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গুণমান দেখেছেন। তাঁর দৃষ্টিতে, সোভিয়েত ইউনিয়নের বড়ত্ব কেবল সামরিক বা প্রযুক্তিগত শক্তিতে নয়, বরং সাধারণ মানুষকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যেই নিহিত। লেনিনের আদর্শে অনুপ্রাণিত সমাজব্যবস্থায় মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদা কবিকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছিল। এই ভ্রমণকাহিনিটি আজও বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।