ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ভোটাভুটিতে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিনিধি পরিষদে আয়োজিত ভোটাভুটি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই উদ্যোগকে ‘অদেশপ্রেমিক’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন, এর ফলে তেহরানের সঙ্গে তার চলমান কূটনৈতিক আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকান দলের চার সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেওয়ায় এটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার দলের ওই চার সদস্য সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। ডেমোক্র্যাটদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতির চেয়ে তারা ব্যর্থতা দেখতেই বেশি আগ্রহী। মূলত ফেব্রুয়ারি মাসে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরান ও ইসরায়েলে সামরিক অভিযানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডেমোক্র্যাটরা সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী, সামরিক অভিযানের ৬০ দিন পার হলেও কংগ্রেসের অনুমোদন না নেওয়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই আইনি চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ভোটাভুটিতে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১০:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিনিধি পরিষদে আয়োজিত ভোটাভুটি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই উদ্যোগকে ‘অদেশপ্রেমিক’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন, এর ফলে তেহরানের সঙ্গে তার চলমান কূটনৈতিক আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকান দলের চার সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেওয়ায় এটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার দলের ওই চার সদস্য সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। ডেমোক্র্যাটদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতির চেয়ে তারা ব্যর্থতা দেখতেই বেশি আগ্রহী। মূলত ফেব্রুয়ারি মাসে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরান ও ইসরায়েলে সামরিক অভিযানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডেমোক্র্যাটরা সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী, সামরিক অভিযানের ৬০ দিন পার হলেও কংগ্রেসের অনুমোদন না নেওয়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই আইনি চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।