বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মাজারের দায়িত্বপ্রাপ্ত খাদেম। সম্প্রতি কুমিরের আক্রমণে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে বন বিভাগ কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনার বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করেছে।
মাজারের প্রধান খাদেম ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা দাবি করেছেন, সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে তাদের পরিবার মাজার ও দিঘির রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে। তিনি কুমিরটিকে মাজারের সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে তা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে সাধারণ দর্শনার্থীদের একাংশ মনে করছেন, নিরাপত্তার খাতিরে কুমির সরিয়ে নেওয়া একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তাদের মতে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করে তবেই কুমিরটিকে পুনরায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন মিঠাপানির কুমিরকে বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
রিপোর্টারের নাম 
























