ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহার ১৩ দিনে ঝরে গেল ২৮১ প্রাণ

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে গত ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত—এই ১৩ দিনে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে মোট ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে, যাতে আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ জনের মতো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট প্রাণহানির মধ্যে ৪৪ শতাংশেরও বেশি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণে। ১৩ দিনে ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং পথচারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভাগভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। সংস্থাটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার দুর্বলতাই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। এ ছাড়া একই সময়ে নৌ ও রেলপথেও বেশ কিছু দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা ও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকআউট পর্বের লক্ষ্যে ব্রাজিল, স্কটল্যান্ডের চোখ ইতিহাসে; হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপেক্ষা

ঈদুল আজহার ১৩ দিনে ঝরে গেল ২৮১ প্রাণ

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে গত ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত—এই ১৩ দিনে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে মোট ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে, যাতে আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ জনের মতো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট প্রাণহানির মধ্যে ৪৪ শতাংশেরও বেশি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণে। ১৩ দিনে ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং পথচারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিভাগভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। সংস্থাটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের অদক্ষতা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার দুর্বলতাই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। এ ছাড়া একই সময়ে নৌ ও রেলপথেও বেশ কিছু দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা ও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।