বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মূল্য বৃদ্ধির পরও বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকির চাহিদা কমছে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে, নতুন মূল্যহার নির্ধারণের পরও বছরে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন হবে।
কমিশন জানায়, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৮ টাকা ৩৯ পয়সা এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বছরে সরকারের বাড়তি কিছু আয় হলেও উৎপাদন ও অন্যান্য ব্যয়ের কারণে ভর্তুকির বোঝা থেকেই যাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়লে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে কমিশন। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমাতে বেশ কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























