বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.) মাজারসংলগ্ন দিঘিতে থাকা সর্বশেষ কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জননিরাপত্তার স্বার্থে বন বিভাগের সহায়তায় কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
সম্প্রতি মাজারের দিঘির পাড় থেকে একটি শিশুকে টেনে নিয়ে যাওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই কুমির সরিয়ে নেওয়ার দাবি জোরালো হয়। স্থানীয়দের বিশ্বাস ও লোকগাঁথা অনুযায়ী, হযরত খানজাহান আলী (রহ.) এই দিঘিতে কালাপাহাড় ও ধলাপাহাড় নামে দুটি মিঠাপানির কুমির অবমুক্ত করেছিলেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানের কুমিরটি সেই বংশধারার নয়। শতবছরের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবেগের কেন্দ্রবিন্দু এই দিঘি ও এর কুমির নিয়ে নানা কিংবদন্তি প্রচলিত থাকলেও, মানুষের জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























