ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে উত্তাল রাজনীতি

সীমান্ত সমস্যা নিয়ে নেপালের পার্লামেন্টে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক মন্তব্য দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে। কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে ভারত ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর ‘একতরফা নয়’ মন্তব্যকে ঘিরে বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সীমান্তের কিছু অংশে নেপাল ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে প্রবেশ করেছে। এই বক্তব্য সরকারি রেকর্ড থেকে মুছে ফেলা এবং ক্ষমা প্রার্থনার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে রাজনৈতিক মহল। যদিও ভারত বরাবরই এই অঞ্চলগুলোকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, সীমান্ত ইস্যু একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। এমন পরিস্থিতিতে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন নেপালের সরকারপ্রধান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আত্মপক্ষ শুনানিতে ক্ষমা চাইলেন আসামি

সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে উত্তাল রাজনীতি

আপডেট সময় : ১২:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

সীমান্ত সমস্যা নিয়ে নেপালের পার্লামেন্টে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক মন্তব্য দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে। কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে ভারত ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর ‘একতরফা নয়’ মন্তব্যকে ঘিরে বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সীমান্তের কিছু অংশে নেপাল ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে প্রবেশ করেছে। এই বক্তব্য সরকারি রেকর্ড থেকে মুছে ফেলা এবং ক্ষমা প্রার্থনার দাবিতে সোচ্চার হয়েছে রাজনৈতিক মহল। যদিও ভারত বরাবরই এই অঞ্চলগুলোকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, সীমান্ত ইস্যু একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। এমন পরিস্থিতিতে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন নেপালের সরকারপ্রধান।