ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমান

হেডলাইন:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমান

প্রতিবেদন:

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের ভোটে তিনি বিজয়ী হয়ে দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী পান ৯১ ভোট। এই বিজয়কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা, কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একটি আন্তর্জাতিক পদে নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা নয়; বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাব, শান্তি প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি। বিশেষ করে বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন।

এই সাফল্যের পেছনে তিনটি বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সরকারের সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং ড. খলিলুর রহমানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা।

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই নির্বাচনের জন্য হাতে ছিল মাত্র তিন মাসের মতো সময়। এত স্বল্প সময়ে বিশ্বব্যাপী সমর্থন আদায়কে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই বাংলাদেশের বিজয় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং ড. খলিলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেন।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়ার ঘটনাও স্মরণ করেন। সে সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী জাপানকে পরাজিত করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। বর্তমান নির্বাচনেও সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা গেছে।

যদিও বাংলাদেশ ২০২০ সালেই সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছিল, তবে ড. খলিলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়ে সমর্থন অর্জনের বিরল সাফল্য দেখায় বাংলাদেশ।

অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস ২০১৬ সাল থেকেই তাদের প্রচারণা শুরু করেছিল এবং প্রায় এক দশক ধরে এ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল। সেই তুলনায় বাংলাদেশের সময় ছিল অত্যন্ত সীমিত। তারপরও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মঞ্চে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হয়।

এই প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পাশাপাশি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনগুলো সমন্বিতভাবে সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নির্বাচনের আগে গত ১৩ মে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংলাপও বাংলাদেশের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী ওই আলোচনায় ড. খলিলুর রহমান তার কর্মপরিকল্পনা, অগ্রাধিকার এবং সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। কূটনৈতিক মহলে তার এই উপস্থাপনা ব্যাপক প্রশংসা পায় এবং এর পর থেকেই একাধিক দেশ প্রকাশ্যে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন জানাতে শুরু করে।

বাংলাদেশের প্রচারণার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল কার্যকর বহুপাক্ষিকতা, জাতিসংঘ সংস্কার, উন্নয়নশীল দেশের স্বার্থ রক্ষা, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর জন্য সহযোগিতা বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করা। বর্তমান বিশ্বে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সংলাপ, সহযোগিতা এবং ঐকমত্যভিত্তিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পর বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ সনদের মূলনীতি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া শুধু একটি কূটনৈতিক অর্জন নয়; বরং এটি বিশ্বপরিসরে দেশের মর্যাদা ও নেতৃত্বের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি, যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতার, ‘চুপ থাকতে বলেছিলেন অমিত শাহ’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমান

আপডেট সময় : ১০:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

হেডলাইন:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমান

প্রতিবেদন:

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের ভোটে তিনি বিজয়ী হয়ে দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী পান ৯১ ভোট। এই বিজয়কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা, কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একটি আন্তর্জাতিক পদে নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা নয়; বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাব, শান্তি প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি। বিশেষ করে বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন।

এই সাফল্যের পেছনে তিনটি বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সরকারের সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং ড. খলিলুর রহমানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা।

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই নির্বাচনের জন্য হাতে ছিল মাত্র তিন মাসের মতো সময়। এত স্বল্প সময়ে বিশ্বব্যাপী সমর্থন আদায়কে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই বাংলাদেশের বিজয় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং ড. খলিলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেন।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়ার ঘটনাও স্মরণ করেন। সে সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী জাপানকে পরাজিত করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। বর্তমান নির্বাচনেও সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা গেছে।

যদিও বাংলাদেশ ২০২০ সালেই সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছিল, তবে ড. খলিলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়ে সমর্থন অর্জনের বিরল সাফল্য দেখায় বাংলাদেশ।

অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস ২০১৬ সাল থেকেই তাদের প্রচারণা শুরু করেছিল এবং প্রায় এক দশক ধরে এ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল। সেই তুলনায় বাংলাদেশের সময় ছিল অত্যন্ত সীমিত। তারপরও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মঞ্চে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হয়।

এই প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পাশাপাশি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনগুলো সমন্বিতভাবে সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নির্বাচনের আগে গত ১৩ মে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংলাপও বাংলাদেশের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী ওই আলোচনায় ড. খলিলুর রহমান তার কর্মপরিকল্পনা, অগ্রাধিকার এবং সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। কূটনৈতিক মহলে তার এই উপস্থাপনা ব্যাপক প্রশংসা পায় এবং এর পর থেকেই একাধিক দেশ প্রকাশ্যে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন জানাতে শুরু করে।

বাংলাদেশের প্রচারণার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল কার্যকর বহুপাক্ষিকতা, জাতিসংঘ সংস্কার, উন্নয়নশীল দেশের স্বার্থ রক্ষা, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর জন্য সহযোগিতা বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করা। বর্তমান বিশ্বে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সংলাপ, সহযোগিতা এবং ঐকমত্যভিত্তিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পর বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ সনদের মূলনীতি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া শুধু একটি কূটনৈতিক অর্জন নয়; বরং এটি বিশ্বপরিসরে দেশের মর্যাদা ও নেতৃত্বের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি, যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।