ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

শিশু হত্যায় অভিযুক্তের দাবি: স্ত্রীর কোনো দোষ নেই

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর ফলে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দাঁড়িয়ে নিজের স্ত্রীর নির্দোষিতার দাবি করেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রীর কোনও দোষ নেই।” এ সময় তার স্ত্রীও মুখ খুলতে চাইলে আদালত তাদের বক্তব্য আমলে না নিয়ে অভিযোগ পাঠ করে শোনান। এরপর নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

সোমবার (১ জুন) সকালে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকী এই আদেশ দেন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২ জুন দিন ধার্য করেন। এর আগে সকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে তাদের এজলাসে নেওয়া হয় এবং অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে ঢাকা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহকে নিয়োগ দেয় আইন মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর শুনানি পরিচালনা করেন। গত ২৪ মে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নিহত শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে রামিসাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে আসামির ঘরের সামনে তার জুতা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌপথে স্বস্তিতে ফিরছে মানুষ, ভাড়ার চাপ নেই যাত্রীদের ওপর

শিশু হত্যায় অভিযুক্তের দাবি: স্ত্রীর কোনো দোষ নেই

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর ফলে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দাঁড়িয়ে নিজের স্ত্রীর নির্দোষিতার দাবি করেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রীর কোনও দোষ নেই।” এ সময় তার স্ত্রীও মুখ খুলতে চাইলে আদালত তাদের বক্তব্য আমলে না নিয়ে অভিযোগ পাঠ করে শোনান। এরপর নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

সোমবার (১ জুন) সকালে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকী এই আদেশ দেন এবং সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২ জুন দিন ধার্য করেন। এর আগে সকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে তাদের এজলাসে নেওয়া হয় এবং অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে ঢাকা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহকে নিয়োগ দেয় আইন মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর শুনানি পরিচালনা করেন। গত ২৪ মে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নিহত শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে রামিসাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে আসামির ঘরের সামনে তার জুতা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।