ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির কোরবানির বিধান: শরিয়ত কী বলে?

অনেক সময় প্রশ্ন জাগে, কোনো ব্যক্তির ওপর ঋণ থাকলে তার জন্য কোরবানি ওয়াজিব হবে কি না। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও কোরবানি ওয়াজিব হতে পারে। এক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয় হলো, ঋণ পরিশোধের পর তার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট থাকে কি না।

শরিয়তের দৃষ্টিতে, যদি কোনো ব্যক্তির কাছে মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত এমন পরিমাণ সম্পদ থাকে যে, চলতি বছরের পরিশোধযোগ্য ঋণ আদায় করার পরও তার কাছে সাড়ে ৫২ ভরি রুপার মূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ, ব্যবসায়িক পণ্য বা অতিরিক্ত সম্পদ অবশিষ্ট থাকে, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।

অন্যদিকে, ঋণ পরিশোধের পর যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট না থাকে, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে না। যারা বাড়ি নির্মাণ, প্লট ক্রয়, বিয়ে বা ব্যবসার প্রয়োজনে ঋণ নিয়েছেন, তাদের প্রথমে চলতি বছরের কিস্তি বা পরিশোধযোগ্য অংশ হিসাব করতে হবে। এরপর যদি তাদের কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থেকে যায়, তবে কোরবানি আদায় করা আবশ্যক হবে। আর যদি না থাকে, তাহলে কোরবানি ওয়াজিব হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির কোরবানির বিধান: শরিয়ত কী বলে?

আপডেট সময় : ০২:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

অনেক সময় প্রশ্ন জাগে, কোনো ব্যক্তির ওপর ঋণ থাকলে তার জন্য কোরবানি ওয়াজিব হবে কি না। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও কোরবানি ওয়াজিব হতে পারে। এক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয় হলো, ঋণ পরিশোধের পর তার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট থাকে কি না।

শরিয়তের দৃষ্টিতে, যদি কোনো ব্যক্তির কাছে মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত এমন পরিমাণ সম্পদ থাকে যে, চলতি বছরের পরিশোধযোগ্য ঋণ আদায় করার পরও তার কাছে সাড়ে ৫২ ভরি রুপার মূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ, ব্যবসায়িক পণ্য বা অতিরিক্ত সম্পদ অবশিষ্ট থাকে, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।

অন্যদিকে, ঋণ পরিশোধের পর যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদ অবশিষ্ট না থাকে, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে না। যারা বাড়ি নির্মাণ, প্লট ক্রয়, বিয়ে বা ব্যবসার প্রয়োজনে ঋণ নিয়েছেন, তাদের প্রথমে চলতি বছরের কিস্তি বা পরিশোধযোগ্য অংশ হিসাব করতে হবে। এরপর যদি তাদের কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থেকে যায়, তবে কোরবানি আদায় করা আবশ্যক হবে। আর যদি না থাকে, তাহলে কোরবানি ওয়াজিব হবে না।