দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কালিয়াগঞ্জ সীমান্তে অবস্থিত উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক শালবন। প্রায় ২ হাজার ৮৬৭ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বনটি মানুষের তৈরি নয়, বরং প্রাকৃতিক নিয়মে শালবীজ থেকে গড়ে উঠেছে। শালগাছ ছাড়াও এখানে আমলকী, বহেড়া, হরীতকী ও সর্পগন্ধার মতো নানা ধরনের ঔষধি গাছের সমারোহ রয়েছে।
এই বনের গভীরে আদিবাসী মুণ্ডা, ওরাওঁ ও সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। বনের পরিবেশ পাখিদের কলকাকলিতে সবসময় মুখর থাকে। বনের ভেতরে রয়েছে অদ্ভুত সব গাছ, যার মধ্যে ‘বাদেনা’ অন্যতম। এটি কোনো শেকড় ছাড়াই অন্য গাছকে জড়িয়ে টিকে থাকে। এছাড়া বনের ভেতর উইপোকার তৈরি উঁচু মাটির ঢিবি এক অন্যরকম দৃশ্যের অবতারণা করে।
শালবনের পাশেই রয়েছে ‘মিরা বন’, যার ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে একটি সরু খাল। এক সময় হিংস্র পশুর বিচরণভূমি থাকলেও বর্তমানে এখানে শেয়াল, খরগোশ ও বনমোরগের দেখা মেলে। বনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আদিবাসী সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন পর্যটকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























