দেশের রফতানি খাতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো এবং রফতানিতে প্রকৃত মূল্য সংযোজন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত এই নীতি কার্যকর হলে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন রফতানি পণ্যে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দেশীয় মূল্য সংযোজন বাধ্যতামূলক হতে পারে।
সরকারের এই নতুন শর্ত পরিপালন করতে না পারলে রফতানিকারকরা নগদ সহায়তা, শুল্ক সুবিধা কিংবা বন্ড সুবিধার মতো রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন। মূলত স্থানীয় শিল্পের বিকাশ এবং রফতানি আয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান গ্যাস সংকট, উচ্চ সুদহার এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে এমন শর্ত বাস্তবায়ন করা পোশাক খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে উচ্চমূল্যে রফতানি দেখিয়ে প্রকৃত আয় দেশে না আনার যে অভিযোগ রয়েছে, তা রোধ করতেও এই নীতি সহায়ক হবে। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য এই কঠোর শর্ত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ওভেন পোশাক এবং বিশেষায়িত নিটওয়্যার শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ওপর নির্ভরতা বেশি হওয়ায় এই খাতগুলো চাপের মুখে পড়তে পারে।
রিপোর্টারের নাম 





















