জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে সব পক্ষের অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত ‘জলবায়ু সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা’ শীর্ষক এক জাতীয় পরামর্শ সভায় বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। সভায় জলবায়ু নিয়ে কাজ করা অর্ধশতাধিক দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গবেষণার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কার্যকর অভিযোজন কৌশল বাস্তবায়ন করতে হবে।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং নিরাপদ পানি সরবরাহের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ চলছে। এছাড়া গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে উন্নত চুলা ব্যবহারের মতো উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু শিক্ষা ও উদ্ভাবন ছড়িয়ে দিতে এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আলোচকরা।
রিপোর্টারের নাম 






















