দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের নেতা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এই নতুন পাঠ্যক্রম শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় নয়, বরং নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা এবং সামাজিক সচেতনতা অর্জনেও গুরুত্ব দেবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুগোপযোগী, দক্ষতাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী এই নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল চালুর কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নতুন কারিকুলামে শিশুদের কেবল অ্যাকাডেমিক শিক্ষাই নয়, বরং বাস্তব জীবনভিত্তিক দক্ষতা শেখানো হবে। শিক্ষার্থীরা শিখবে কীভাবে ভালো নাগরিক হতে হয়, কীভাবে নিজের স্কুল, ঘরবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হয় এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। এই পদ্ধতিতে শিশুদের বয়স উপযোগী আনন্দদায়ক উপায়ে শিক্ষা দেওয়া হবে, যাতে তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। গল্প, সৃজনশীলতা এবং আনন্দের মাধ্যমে তারা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে।
প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আজকের গার্ল গাইডসরাই আগামী বাংলাদেশের নেতা। তাদের বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জনে সরকার কাজ করছে। এই অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে ৫৭ জন হলদে পাখি সদস্যকে নীল কমল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 























