ক্রীড়াকে একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, খেলাধুলায় অসামান্য কৃতিত্ব অর্জনকারী খেলোয়াড়দের ইতোমধ্যে বেতন কাঠামোর আওতায় এনে বিশেষ ‘স্পোর্টস কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, এই স্পোর্টস কার্ড সুবিধার আওতায় আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর ১৫ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে দেশের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সার্বিক নিরাপত্তায় ৩৭৯ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রশংসনীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাহিনীটি পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম বাংলাদেশ গেমসে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে এবং এর স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হয়।
বাহিনীর কাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান জানান, আনসার ব্যাটালিয়ন বিধিমালা ২০২৬, ভিডিপি বিধিমালা ২০২৬, অঙ্গীভূত আনসার বিধিমালা ২০২৬ এবং আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা ২০২৬-এর খসড়া প্রণয়নের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি, উপজেলা পর্যায়ে বাহিনীর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে উপজেলা আনসার বিধিমালা ২০২৬ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা জোরদার করার লক্ষ্যে বাহিনী সদর দফতরে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বলেও তিনি অবহিত করেন।
রিপোর্টারের নাম 























