ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

গ্রাফিতি মোছার অভিযোগ ভিত্তিহীন, নগরীর সৌন্দর্য রক্ষাই লক্ষ্য: মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীতে ‘জুলাই বিপ্লবের’ গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ডাহা মিথ্যা বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। সোমবার (১৮ মে) বিকালে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তিনি কখনো গ্রাফিতি মুছে ফেলার নির্দেশ দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারের পোস্টার-ব্যানার অপসারণ এবং রং করার কাজ করে থাকে। টাইগারপাসসহ যেসব স্থানে রং করা হয়েছে, সেগুলো মূলত পোস্টার দিয়ে ঢাকা ছিল এবং সেখানে দৃশ্যমান কোনো গ্রাফিতি ছিল না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের চেতনার বিরুদ্ধে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।’ তিনি নিজেও দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে আন্দোলন করেছেন এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম তারই অনুসারী ছিলেন বলে জানান।

মেয়র আরও বলেন, কেউ গ্রাফিতি আঁকতে চাইলে তিনি আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শৈল্পিক ও মানসম্মত গ্রাফিতি আঁকতে পারেন। এ ধরনের উদ্যোগে ব্যক্তিগতভাবে বা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তিনি অর্থায়নের আশ্বাস দেন। তিনি মনে করেন, অপরিচ্ছন্ন হাতের লেখার চেয়ে পরিকল্পিত ও শৈল্পিক গ্রাফিতি শহরের সৌন্দর্য ও ভাবমূর্তি উন্নত করবে।

আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তার বিষয়ে মেয়র জানান, ৪ আগস্ট অনেক হাসপাতাল আহতদের ভর্তি করতে অনাগ্রহ দেখালে তিনি নিজ উদ্যোগে তাদের ট্রিটমেন্ট এবং হলি হেলথ হাসপাতালে ভর্তি করান। এছাড়া ৬ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। শহীদ পরিবারগুলোকেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এনসিপির সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মসূচির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুবিধা লোটার জন্যই তারা এই কাজ করছে। তিনি আরও জানান, আদালতের নির্দেশে আইনগতভাবে তিনি বৈধ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমান আ.

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে স্থিতিশীলতা চেয়ে ভারত-চীন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ওপর জোর

গ্রাফিতি মোছার অভিযোগ ভিত্তিহীন, নগরীর সৌন্দর্য রক্ষাই লক্ষ্য: মেয়র ডা. শাহাদাত

আপডেট সময় : ০৮:০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীতে ‘জুলাই বিপ্লবের’ গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ডাহা মিথ্যা বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। সোমবার (১৮ মে) বিকালে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, তিনি কখনো গ্রাফিতি মুছে ফেলার নির্দেশ দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারের পোস্টার-ব্যানার অপসারণ এবং রং করার কাজ করে থাকে। টাইগারপাসসহ যেসব স্থানে রং করা হয়েছে, সেগুলো মূলত পোস্টার দিয়ে ঢাকা ছিল এবং সেখানে দৃশ্যমান কোনো গ্রাফিতি ছিল না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের চেতনার বিরুদ্ধে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।’ তিনি নিজেও দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে আন্দোলন করেছেন এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম তারই অনুসারী ছিলেন বলে জানান।

মেয়র আরও বলেন, কেউ গ্রাফিতি আঁকতে চাইলে তিনি আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শৈল্পিক ও মানসম্মত গ্রাফিতি আঁকতে পারেন। এ ধরনের উদ্যোগে ব্যক্তিগতভাবে বা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তিনি অর্থায়নের আশ্বাস দেন। তিনি মনে করেন, অপরিচ্ছন্ন হাতের লেখার চেয়ে পরিকল্পিত ও শৈল্পিক গ্রাফিতি শহরের সৌন্দর্য ও ভাবমূর্তি উন্নত করবে।

আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা সহায়তার বিষয়ে মেয়র জানান, ৪ আগস্ট অনেক হাসপাতাল আহতদের ভর্তি করতে অনাগ্রহ দেখালে তিনি নিজ উদ্যোগে তাদের ট্রিটমেন্ট এবং হলি হেলথ হাসপাতালে ভর্তি করান। এছাড়া ৬ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। শহীদ পরিবারগুলোকেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এনসিপির সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মসূচির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুবিধা লোটার জন্যই তারা এই কাজ করছে। তিনি আরও জানান, আদালতের নির্দেশে আইনগতভাবে তিনি বৈধ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমান আ.