ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

নাফ নদ থেকে ৪ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদ থেকে দুটি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার নৌকাসহ চার বাংলাদেশি জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা ধরে নিয়ে গেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় উপকূলীয় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নৌকার মালিকদের তথ্যানুসারে, জেলেরা সকালে মাছ ধরতে নাফ নদে যান। দুপুরে মাছ ধরার সময় আরাকান আর্মির সশস্ত্র সদস্যরা স্পিডবোটে এসে তাদের ধাওয়া করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, জেলেদের বাংলাদেশের জলসীমা থেকেই ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।

অপহৃত জেলেরা হলেন টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা মনির আহমেদ, ইয়াছিন, আব্দুল মালেক ওরফে শফা এবং জামাল হোসেন। স্থানীয় জেলেদের বক্তব্য অনুযায়ী, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে এবং এরপর তাদের মিয়ানমারের কাইচ্যং খালের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান এই খবর নিশ্চিত করেছেন এবং অপহৃত জেলেদের পরিবারগুলোর উদ্বেগ ও আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছেন। সীমান্তবর্তী নাফ নদে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক জেলে এখন নদীতে মাছ ধরতে যেতে ভয় পাচ্ছেন, যা তাদের জীবন-জীবিকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণহত্যার বিচারে মন্থর গতি: বিচারপ্রার্থী ও শহীদ পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ

নাফ নদ থেকে ৪ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

আপডেট সময় : ০৬:৪১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদ থেকে দুটি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার নৌকাসহ চার বাংলাদেশি জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা ধরে নিয়ে গেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় উপকূলীয় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নৌকার মালিকদের তথ্যানুসারে, জেলেরা সকালে মাছ ধরতে নাফ নদে যান। দুপুরে মাছ ধরার সময় আরাকান আর্মির সশস্ত্র সদস্যরা স্পিডবোটে এসে তাদের ধাওয়া করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, জেলেদের বাংলাদেশের জলসীমা থেকেই ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।

অপহৃত জেলেরা হলেন টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা মনির আহমেদ, ইয়াছিন, আব্দুল মালেক ওরফে শফা এবং জামাল হোসেন। স্থানীয় জেলেদের বক্তব্য অনুযায়ী, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে এবং এরপর তাদের মিয়ানমারের কাইচ্যং খালের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান এই খবর নিশ্চিত করেছেন এবং অপহৃত জেলেদের পরিবারগুলোর উদ্বেগ ও আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছেন। সীমান্তবর্তী নাফ নদে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক জেলে এখন নদীতে মাছ ধরতে যেতে ভয় পাচ্ছেন, যা তাদের জীবন-জীবিকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।