বাংলাদেশে ১৮ বছরের বেশি বয়সী প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে হৃদরোগজনিত অসুস্থতায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার ৫২ শতাংশের পেছনে দায়ী এই নীরব ঘাতক।
চলতি বছর বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি: নীরব ঘাতককে জয় করি’। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর ১৭ মে এই দিবসটি পালন করে আসছে।
সাম্প্রতিক এক জরিপের তথ্যমতে, ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের হার প্রায় ৪০ শতাংশ, যা ২০১১ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। পুরুষের এই হার ২০ শতাংশ থেকে ৩৪ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩২ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। উদ্বেগজনকভাবে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত অর্ধেক নারী এবং দুই-তৃতীয়াংশ পুরুষ তাদের এই রোগ সম্পর্কে অবগত নন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান কারণ। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, হৃদরোগ, কিডনি বিকল এবং দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম, চর্বি ও লবণযুক্ত খাবার পরিহার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই ওষুধ বন্ধ করা উচিত নয়।
রিপোর্টারের নাম 



















