ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

শ্রীপুরে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মিলল বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর কবির হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের একটি আকাশমনি বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কবির হোসেন ওই এলাকার মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কবির হোসেন গত কয়েক দিন ধরে মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং তার আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খেয়ে তিনি ঘুমাতে যান। তবে মধ্যরাতের পর থেকে তাকে আর ঘরে পাওয়া যায়নি। সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির পাশের বাগানে তাকে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলেও পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। স্থানীয়দের মতে, কবির হোসেন একজন সহজ-সরল মানুষ ছিলেন এবং কারো সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছয় মাসে হাম সংক্রমণে শীর্ষে বাংলাদেশ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 

শ্রীপুরে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মিলল বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ

আপডেট সময় : ১০:৩১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর কবির হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের একটি আকাশমনি বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কবির হোসেন ওই এলাকার মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কবির হোসেন গত কয়েক দিন ধরে মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং তার আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খেয়ে তিনি ঘুমাতে যান। তবে মধ্যরাতের পর থেকে তাকে আর ঘরে পাওয়া যায়নি। সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির পাশের বাগানে তাকে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলেও পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। স্থানীয়দের মতে, কবির হোসেন একজন সহজ-সরল মানুষ ছিলেন এবং কারো সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না।