ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ফরিদপুরে পুকুরপাড়ে মাটিচাপা দেওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নে নিখোঁজের কয়েকদিন পর পুকুরপাড় থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালীতলা যতিনবদ্দি এলাকায় একটি কলাবাগানের পাশে মাটি খুঁড়ে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের জাহানারা বেগম ও তার চার বছরের মেয়ে সামিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন তারা। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান মিলছিল না। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী গোয়ালন্দ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। স্থানীয়রা পুকুরপাড়ে মাটি খোঁড়া অবস্থায় মানুষের পা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনাস্থলটি নির্জন এবং দুই জেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় সেখানে নিয়মিত মাদক ও জুয়ার আসর বসে। তাদের ধারণা, অপরাধী চক্র এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ইউরেনিয়াম জব্দে মার্কিন গোপন সামরিক অভিযান স্থগিত করলেন ট্রাম্প

ফরিদপুরে পুকুরপাড়ে মাটিচাপা দেওয়া মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নে নিখোঁজের কয়েকদিন পর পুকুরপাড় থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কালীতলা যতিনবদ্দি এলাকায় একটি কলাবাগানের পাশে মাটি খুঁড়ে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের জাহানারা বেগম ও তার চার বছরের মেয়ে সামিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন তারা। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান মিলছিল না। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী গোয়ালন্দ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। স্থানীয়রা পুকুরপাড়ে মাটি খোঁড়া অবস্থায় মানুষের পা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনাস্থলটি নির্জন এবং দুই জেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় সেখানে নিয়মিত মাদক ও জুয়ার আসর বসে। তাদের ধারণা, অপরাধী চক্র এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।