ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বাটা শু কোম্পানির রেকর্ড মুনাফা: আয় ও রাজস্বে নতুন মাইলফলক

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও স্থানীয় বাজারের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারে বাড়তি চাহিদা এবং সময়োপযোগী ব্যবসায়িক কৌশলের ওপর ভর করে প্রতিষ্ঠানটি এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানির মোট বিক্রয় দাঁড়িয়েছে ৩৭৯.৭ কোটি টাকায়, যা তাদের শক্তিশালী বাজার অবস্থানের প্রতিফলন।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৫৮.৫ কোটি টাকা এবং কর পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৭.১ কোটি টাকা। বাটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উৎসবের মৌসুমে উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং দক্ষ সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি ও লজিস্টিক ব্যয় বাড়লেও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত সোর্সিংয়ের মাধ্যমে তারা এই ধারা অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য যে, টানা সপ্তমবারের মতো চামড়া ও পাদুকা শিল্পে দেশের সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননাও অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১ আগস্ট থেকে দেওয়া হবে টাইফয়েডের টিকা, লক্ষ্যমাত্রা ১৫ মাস বয়সী শিশু

বাটা শু কোম্পানির রেকর্ড মুনাফা: আয় ও রাজস্বে নতুন মাইলফলক

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও স্থানীয় বাজারের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারে বাড়তি চাহিদা এবং সময়োপযোগী ব্যবসায়িক কৌশলের ওপর ভর করে প্রতিষ্ঠানটি এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানির মোট বিক্রয় দাঁড়িয়েছে ৩৭৯.৭ কোটি টাকায়, যা তাদের শক্তিশালী বাজার অবস্থানের প্রতিফলন।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৫৮.৫ কোটি টাকা এবং কর পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৭.১ কোটি টাকা। বাটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উৎসবের মৌসুমে উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং দক্ষ সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি ও লজিস্টিক ব্যয় বাড়লেও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত সোর্সিংয়ের মাধ্যমে তারা এই ধারা অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য যে, টানা সপ্তমবারের মতো চামড়া ও পাদুকা শিল্পে দেশের সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননাও অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।