ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

রংপুরের বদরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ ইনচার্জের বিরুদ্ধে সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও পুনঃসংযোগে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

রংপুরের বদরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের চেংমারি সাব-স্টেশনের ইনচার্জ এরশাদুল হকের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, তিনি কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পুনরায় সংযোগ দিচ্ছেন।

স্থানীয় গ্রাহকদের দাবি, ইনচার্জের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না, কারণ তাকে রক্ষায় একটি দালাল বাহিনী সদা তৎপর থাকে। ফলে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। তবে স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা বিষয়টি তাদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন।

জানা যায়, অফিশিয়াল কোনো নোটিশ ছাড়াই ইনচার্জ এরশাদুল হকের নেতৃত্বে মধুপুর এবং দামোদরপুর ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এসব গ্রাহককে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। রাজারামপুর এলাকার ওসমান গণি জানান, তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর ইনচার্জ দুহাজার টাকা নিয়ে একজন ইলেকট্রিশিয়ানের মাধ্যমে মিটার ফেরত দেন এবং সংযোগ পুনঃস্থাপন করেন।

মধুপুর ইউনিয়নের পাকারমাথা বাজারের ব্যবসায়ী মনিকৃষ্ণ অভিযোগ করেন, দুই মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার অভিযোগে ইনচার্জ এরশাদুল হক তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে চেংমারি সাব-স্টেশনে গেলে রশিদ ছাড়াই বকেয়া বিল, জরিমানার অর্থ এবং ডিসি/আরসি ফি বাবদ চার হাজার ২০০ টাকা আদায় করা হয়। এরপর ইনচার্জ নিয়োজিত একজন লাইনম্যান এসে তার সংযোগ পুনরায় চালু করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহুবলে মাদকাসক্ত হয়ে পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার: যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

রংপুরের বদরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ ইনচার্জের বিরুদ্ধে সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও পুনঃসংযোগে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৫৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রংপুরের বদরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের চেংমারি সাব-স্টেশনের ইনচার্জ এরশাদুল হকের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, তিনি কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পুনরায় সংযোগ দিচ্ছেন।

স্থানীয় গ্রাহকদের দাবি, ইনচার্জের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না, কারণ তাকে রক্ষায় একটি দালাল বাহিনী সদা তৎপর থাকে। ফলে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। তবে স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা বিষয়টি তাদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন।

জানা যায়, অফিশিয়াল কোনো নোটিশ ছাড়াই ইনচার্জ এরশাদুল হকের নেতৃত্বে মধুপুর এবং দামোদরপুর ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এসব গ্রাহককে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। রাজারামপুর এলাকার ওসমান গণি জানান, তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর ইনচার্জ দুহাজার টাকা নিয়ে একজন ইলেকট্রিশিয়ানের মাধ্যমে মিটার ফেরত দেন এবং সংযোগ পুনঃস্থাপন করেন।

মধুপুর ইউনিয়নের পাকারমাথা বাজারের ব্যবসায়ী মনিকৃষ্ণ অভিযোগ করেন, দুই মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার অভিযোগে ইনচার্জ এরশাদুল হক তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে চেংমারি সাব-স্টেশনে গেলে রশিদ ছাড়াই বকেয়া বিল, জরিমানার অর্থ এবং ডিসি/আরসি ফি বাবদ চার হাজার ২০০ টাকা আদায় করা হয়। এরপর ইনচার্জ নিয়োজিত একজন লাইনম্যান এসে তার সংযোগ পুনরায় চালু করেন।