ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বিএনপি-জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী’ আখ্যা দিয়ে ডোমার থানা পুলিশের প্রতিবেদন

নীলফামারী জেলার ডোমার থানা পুলিশের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে বিএনপি ও জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী দল’ এবং তাদের নেতাকর্মীদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপি নেতার দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও তৎকালীন ওসিকে রক্ষার উদ্দেশ্যে পুলিশের এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার এবং তৎকালীন ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমন আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর মামলা, হামলা, নির্যাতন এবং চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়। মামলা নং-জিআর ১৬৫ (ডোম), তারিখ-০৩/১০/২০২৪।

তদন্ত শেষে গত ০৫/০২/২০২৬ তারিখে ডোমার থানা পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মানিকুল ইসলাম তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, মামলার বাদী মাসুদ বিন আমিন সুমনসহ অন্য অভিযুক্তরা পূর্বের ভোটকেন্দ্রে হামলা ও অগ্নিসংযোগ মামলার (জিআর-৩/২০১৪ এবং জিআর-৪/২০১৪) আসামি ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিগত ২০০৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি অংশগ্রহণ না করার পর ডোমার থানা এলাকায় তারা ভোটকেন্দ্রে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক নাশকতা চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

পুলিশের এই প্রতিবেদনে বিএনপি-জামায়াতকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা দেওয়ায় জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মধু সংগ্রহ: ১ হাজার কেজি মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক

বিএনপি-জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী’ আখ্যা দিয়ে ডোমার থানা পুলিশের প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নীলফামারী জেলার ডোমার থানা পুলিশের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে বিএনপি ও জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী দল’ এবং তাদের নেতাকর্মীদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপি নেতার দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও তৎকালীন ওসিকে রক্ষার উদ্দেশ্যে পুলিশের এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার এবং তৎকালীন ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা মাসুদ বিন আমিন সুমন আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর মামলা, হামলা, নির্যাতন এবং চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়। মামলা নং-জিআর ১৬৫ (ডোম), তারিখ-০৩/১০/২০২৪।

তদন্ত শেষে গত ০৫/০২/২০২৬ তারিখে ডোমার থানা পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মানিকুল ইসলাম তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, মামলার বাদী মাসুদ বিন আমিন সুমনসহ অন্য অভিযুক্তরা পূর্বের ভোটকেন্দ্রে হামলা ও অগ্নিসংযোগ মামলার (জিআর-৩/২০১৪ এবং জিআর-৪/২০১৪) আসামি ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিগত ২০০৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপি অংশগ্রহণ না করার পর ডোমার থানা এলাকায় তারা ভোটকেন্দ্রে হামলা, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক নাশকতা চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

পুলিশের এই প্রতিবেদনে বিএনপি-জামায়াতকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা দেওয়ায় জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।