চট্টগ্রামের সাগরিকা ফ্লাইওভার থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার গুজব ছড়িয়ে পড়লেও পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার দিকেই ইঙ্গিত করছে। সিসিটিভি ফুটেজ, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং ঘটনাস্থলের পারিপার্শ্বিক আলামত বিশ্লেষণ করে এমনটাই ধারণা করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা ফ্লাইওভারের রেলিংয়ের নিচে ওই লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পাহাড়তলী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মৃত ব্যক্তি আবু কাউসার (২৭) নগরের আকবর শাহ থানা এলাকার বাসিন্দা।
ঘটনার পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পেজ থেকে কাউসারকে ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা’ পরিচয় দিয়ে তার মৃত্যুকে হত্যা বলে দাবি করে একাধিক পোস্ট দেওয়া হয়, যা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। পরিবারের সদস্যরাও কাউসারের মৃত্যুকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে উল্লেখ করলেও তারা থানায় কোনো মামলা দায়ের করেননি। বরং, পুলিশের অভিযোগ, পরিবার লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দ্রুত নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকদের মতে, লাশের গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে এবং বাহ্যিক কোনো আঘাত বা ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর ধরন স্পষ্টভাবে ঝুলে মৃত্যুবরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ নুরুল আবছার জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, আবু কাউসার একাই ফ্লাইওভারে হেঁটে গেছেন এবং কিছুক্ষণ পরেই তিনি আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থলের কোনো আলামতই সংঘর্ষ বা হত্যার ইঙ্গিত দেয় না।
রিপোর্টারের নাম 






















