ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

কুমিল্লায় হামের প্রকোপে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭

কুমিল্লায় হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় মাস বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোরে মারা যাওয়া এই শিশুটি জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গুরগাঁও এলাকার বাসিন্দা ছিল। এ নিয়ে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারালো মোট সাত শিশু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত শিশুটিকে গত ৯ মে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে এই ইউনিটে আরও ৬৯ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় আরও জানায়, আক্রান্তদের মধ্যে ১ হাজার ৭৮ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৪৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজার ভেতরে ‘ইয়েলো লাইন’ সরিয়ে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার: ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ

কুমিল্লায় হামের প্রকোপে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭

আপডেট সময় : ০১:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

কুমিল্লায় হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় মাস বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোরে মারা যাওয়া এই শিশুটি জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার গুরগাঁও এলাকার বাসিন্দা ছিল। এ নিয়ে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারালো মোট সাত শিশু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত শিশুটিকে গত ৯ মে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে এই ইউনিটে আরও ৬৯ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ জন শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় আরও জানায়, আক্রান্তদের মধ্যে ১ হাজার ৭৮ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৪৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।