ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, লাশের পাশে গুলির খোসা

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবুল কালাম জহির (৫০) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় লাশের পাশে গুলির খোসা পেয়েছে পুলিশ। 

শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আবুল কালাম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মোস্তফার দোকান এলাকায় সড়কের ওপর জহিরকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। একসময় জহির মাদক ও মাটির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার প্রতিপক্ষ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই কুপিয়ে হত্যা করেছে। লাশের পাশে গুলির খোসাও পাওয়া গেছে। 

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‌‘আজ রাতে মোস্তফার দোকান এলাকার দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে জহিরকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।’

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল গেছি। জহিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা: ২০ প্রদেশ লক্ষ্যবস্তু, রেড ক্রিসেন্টের সতর্কবার্তা

বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, লাশের পাশে গুলির খোসা

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবুল কালাম জহির (৫০) নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় লাশের পাশে গুলির খোসা পেয়েছে পুলিশ। 

শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আবুল কালাম চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মোস্তফার দোকান এলাকায় সড়কের ওপর জহিরকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। একসময় জহির মাদক ও মাটির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার প্রতিপক্ষ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই কুপিয়ে হত্যা করেছে। লাশের পাশে গুলির খোসাও পাওয়া গেছে। 

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‌‘আজ রাতে মোস্তফার দোকান এলাকার দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে জহিরকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।’

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল গেছি। জহিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে ঘটনাটি ঘটিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’