দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধির ঘটনা উদ্বেগজনক। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, হামের কারণে আর একটি শিশুরও মৃত্যু তিনি দেখতে চান না। তিনি সরকারকে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা বৃদ্ধির পাশাপাশি হাম প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এনসিপিতে নতুন সদস্য যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিক যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্টরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফলের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব ও সতর্কতা আরও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এদেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব নাগরিকের নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় আখ্যা দিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে কয়েক লাখ ভোটারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। তাদের অধিকাংশই ছিল মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের। তিনি জাতীয় সংসদেও এ বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন যে, পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নির্যাতন ও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে। নির্বাচনের পরেও সেখানে মুসলিম, মতুয়া, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
নাহিদ ইসলাম আরও সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশবিরোধী ও বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী শত্রুপক্ষ নানা উসকানি দেবে, সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা করবে এবং প্রোপাগান্ডা ছড়াবে। এ বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রমাণিত হবে। এদেশের মুসলমান, দলিত, মতুয়া সম্প্রদায়সহ সবার দায়িত্ব বাংলাদেশকে নিতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 























