ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

মাঠ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ

সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী, পেশাদার এবং জনমুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া এবং একটি দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। অধিবেশনে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের বিস্তারিত অবহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’ বা জনযুদ্ধ ও জনসম্পৃক্ততার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যেখানে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার প্রক্রিয়াতেও ডিসিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ড. শামছুল ইসলাম সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের মধ্যেকার সমন্বিত কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাঠ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বর্তমানে কোনো দূরত্ব নেই; বরং পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে তারা দেশের কল্যাণে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও ডিসিদের সচেতন করা হয়েছে।

অধিবেশনে জেলা প্রশাসকরাও সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন যে, সিভিল ও সামরিক প্রশাসনের এই যুগান্তকারী সমন্বয় ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী ও জনবান্ধব সশস্ত্র বাহিনী গঠনে সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কঠোর প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে সবসময় প্রস্তুত থাকেন এবং জনগণের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তারা আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা চুক্তি: দীর্ঘ দেড় দশকের অচলাবস্থা নিরসনে নতুন আশার আলো

মাঠ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ

আপডেট সময় : ০১:১৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী, পেশাদার এবং জনমুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া এবং একটি দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। অধিবেশনে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের বিস্তারিত অবহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’ বা জনযুদ্ধ ও জনসম্পৃক্ততার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যেখানে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার প্রক্রিয়াতেও ডিসিদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ড. শামছুল ইসলাম সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের মধ্যেকার সমন্বিত কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাঠ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বর্তমানে কোনো দূরত্ব নেই; বরং পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে তারা দেশের কল্যাণে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও ডিসিদের সচেতন করা হয়েছে।

অধিবেশনে জেলা প্রশাসকরাও সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন যে, সিভিল ও সামরিক প্রশাসনের এই যুগান্তকারী সমন্বয় ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী ও জনবান্ধব সশস্ত্র বাহিনী গঠনে সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কঠোর প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে সবসময় প্রস্তুত থাকেন এবং জনগণের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তারা আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন।