ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

সীতাকুণ্ডে দখল-দূষণে মৃতপ্রায় ঝরঝরি খাল, জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার দক্ষিণ অঞ্চলের প্রাণ হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী ‘ঝরঝরি খাল’ এখন দখল আর দূষণের কবলে পড়ে মরণদশায় উপনীত হয়েছে। একসময় চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে নেমে আসা পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম ছিল এই খালটি। কিন্তু বর্তমানে নাব্য সংকট এবং অবৈধ দখলের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের বিভিন্ন অংশ প্রভাবশালীরা দখল করে দোকান, গুদাম ও বসতবাড়ি নির্মাণ করেছে। এছাড়া যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে খালের তলদেশ ভরাট হয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত সরতে না পেরে চৌধুরীপাড়া, আমিরাবাদ ও মিরাবাদসহ বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরেও পানি ঢুকে পড়ছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, একসময়ের উপকারী এই খালটি এখন তাদের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর শত শত একর জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ঐতিহ্যবাহী এই প্রাকৃতিক জলাধারটি রক্ষায় দ্রুত খনন এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা সংগ্রহের পদ্ধতিতে পরিবর্তন ও দেশে হামের প্রাদুর্ভাব: সায়েন্স জার্নালের রিপোর্ট

সীতাকুণ্ডে দখল-দূষণে মৃতপ্রায় ঝরঝরি খাল, জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ১১:৪৮:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার দক্ষিণ অঞ্চলের প্রাণ হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী ‘ঝরঝরি খাল’ এখন দখল আর দূষণের কবলে পড়ে মরণদশায় উপনীত হয়েছে। একসময় চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে নেমে আসা পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম ছিল এই খালটি। কিন্তু বর্তমানে নাব্য সংকট এবং অবৈধ দখলের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের বিভিন্ন অংশ প্রভাবশালীরা দখল করে দোকান, গুদাম ও বসতবাড়ি নির্মাণ করেছে। এছাড়া যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে খালের তলদেশ ভরাট হয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত সরতে না পেরে চৌধুরীপাড়া, আমিরাবাদ ও মিরাবাদসহ বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরেও পানি ঢুকে পড়ছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, একসময়ের উপকারী এই খালটি এখন তাদের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছর শত শত একর জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ঐতিহ্যবাহী এই প্রাকৃতিক জলাধারটি রক্ষায় দ্রুত খনন এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ।