পশ্চিমা বিশ্বের নানামুখী চাপ ও অবরোধের মুখে থাকা ইরানের জন্য এবার নিজেদের স্থলপথ খুলে দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এর মাধ্যমে পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানে পণ্য পরিবহনের ট্রানজিট সুবিধা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো। করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদর বন্দরকে ইরানের গাব্দ ও তাফতান সীমান্ত পারাপারের সঙ্গে যুক্ত করে এই নতুন বাণিজ্য রুট ঘোষণা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই রুট ব্যবহারের ফলে পরিবহন খরচ প্রায় ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসবে। বিশেষ করে গোয়াদর-গাব্দ করিডরটি ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইরান সীমান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে, যা আগে করাচি থেকে পোঁছাতে ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা সময় নিত। এই উদ্যোগটি পাকিস্তানের পশ্চিমমুখী বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আফগানিস্তানের ওপর নির্ভরতা অনেকাংশে কমিয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্লেষকদের মতে, ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি পাকিস্তানকে পশ্চিম এশিয়ায় চীন-সমর্থিত বাণিজ্য রুটগুলোর প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। তবে সীমান্তে বিদ্যমান নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। ইরানের ওপর মার্কিন চাপের মুখে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























