ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

অদম্য ইচ্ছাশক্তি: সন্তান প্রসবের ৫ ঘণ্টা পরই দাখিল পরীক্ষায় বসল কিশোরী তাসমিয়া

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক অনন্য সাহসিকতা ও মেধার স্বাক্ষর রেখেছে ১৬ বছর বয়সী কিশোরী তাসমিয়া আক্তার। কন্যাসন্তান প্রসবের মাত্র পাঁচ ঘণ্টা পরেই দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে সে। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

তাসমিয়া উপজেলার রাজৈর ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে তার প্রসববেদনা শুরু হলে তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সে একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। শারীরিক ধকল সত্ত্বেও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে তাসমিয়া সকাল ১০টায় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে গণিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

তাসমিয়ার বাবা নুরুল ইসলাম জানান, বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাসমিয়ার প্রবল আগ্রহ ছিল। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সবাই ভেবেছিল সে হয়তো পরীক্ষা দিতে পারবে না, কিন্তু সে দমে যায়নি। শিক্ষা কর্মকর্তারাও তার এই অদম্য স্পৃহার প্রশংসা করেছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেছেন। মঙ্গলবার ছাড়াও পরবর্তী বাংলা পরীক্ষাতেও সে স্বাভাবিকভাবে অংশগ্রহণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে সাড়ে ১০ লাখ টাকার ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার

অদম্য ইচ্ছাশক্তি: সন্তান প্রসবের ৫ ঘণ্টা পরই দাখিল পরীক্ষায় বসল কিশোরী তাসমিয়া

আপডেট সময় : ০২:০২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক অনন্য সাহসিকতা ও মেধার স্বাক্ষর রেখেছে ১৬ বছর বয়সী কিশোরী তাসমিয়া আক্তার। কন্যাসন্তান প্রসবের মাত্র পাঁচ ঘণ্টা পরেই দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে সে। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

তাসমিয়া উপজেলার রাজৈর ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে তার প্রসববেদনা শুরু হলে তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সে একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। শারীরিক ধকল সত্ত্বেও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে তাসমিয়া সকাল ১০টায় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে গণিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

তাসমিয়ার বাবা নুরুল ইসলাম জানান, বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাসমিয়ার প্রবল আগ্রহ ছিল। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সবাই ভেবেছিল সে হয়তো পরীক্ষা দিতে পারবে না, কিন্তু সে দমে যায়নি। শিক্ষা কর্মকর্তারাও তার এই অদম্য স্পৃহার প্রশংসা করেছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেছেন। মঙ্গলবার ছাড়াও পরবর্তী বাংলা পরীক্ষাতেও সে স্বাভাবিকভাবে অংশগ্রহণ করেছে।