ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বুদ্ধ পূর্ণিমায় সম্প্রীতির বার্তা: ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান মন্ত্রীর

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে এক বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। তিনি তাঁর বক্তব্যে ঐক্য, সম্প্রীতি এবং শান্তির বার্তা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা তাঁর অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্যই প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সকল ধর্মই মানবকল্যাণ, শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তিনি সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ ও সংঘাত পরিহার করে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন। মন্ত্রী আরও বলেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। তিনি ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও উন্নত দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। তিনি জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

বুদ্ধ পূর্ণিমায় সম্প্রীতির বার্তা: ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান মন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১২:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে এক বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। তিনি তাঁর বক্তব্যে ঐক্য, সম্প্রীতি এবং শান্তির বার্তা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা তাঁর অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্যই প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সকল ধর্মই মানবকল্যাণ, শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তিনি সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ ও সংঘাত পরিহার করে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন। মন্ত্রী আরও বলেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। তিনি ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও উন্নত দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। তিনি জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।