ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

মৌলভীবাজারে এসপিকে ঘুষ দিয়ে স্বামীর বিদেশ যাত্রা ঠেকানোর চেষ্টা, নারীসহ আটক ২

মৌলভীবাজারে এক বিচিত্র ঘটনার অবতারণা হয়েছে। স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) ঘুষ দিতে গিয়ে জেসমিন আক্তার নামে এক নারী ও তার সহযোগী এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুলাউড়া থানায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেসমিন আক্তারের সঙ্গে তার স্বামী মাহতাব মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ ও মামলা চলছে। সম্প্রতি মাহতাব মিয়ার বিদেশ যাওয়ার খবর পেয়ে তা রুখতে মরিয়া হয়ে ওঠেন জেসমিন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে নগদ ২ লাখ টাকাসহ এসপির সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে কৌশলে ঘুষ প্রদানের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের হাতেনাতে আটক করে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং পুলিশি সেবায় কোনো প্রকার অনৈতিক লেনদেনের সুযোগ নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা ও শিল্প খাতের দূরত্ব: দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বড় বাধা

মৌলভীবাজারে এসপিকে ঘুষ দিয়ে স্বামীর বিদেশ যাত্রা ঠেকানোর চেষ্টা, নারীসহ আটক ২

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

মৌলভীবাজারে এক বিচিত্র ঘটনার অবতারণা হয়েছে। স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) ঘুষ দিতে গিয়ে জেসমিন আক্তার নামে এক নারী ও তার সহযোগী এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুলাউড়া থানায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেসমিন আক্তারের সঙ্গে তার স্বামী মাহতাব মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ ও মামলা চলছে। সম্প্রতি মাহতাব মিয়ার বিদেশ যাওয়ার খবর পেয়ে তা রুখতে মরিয়া হয়ে ওঠেন জেসমিন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে নগদ ২ লাখ টাকাসহ এসপির সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে কৌশলে ঘুষ প্রদানের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের হাতেনাতে আটক করে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং পুলিশি সেবায় কোনো প্রকার অনৈতিক লেনদেনের সুযোগ নেই।