ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ফেরাতে এমডি ও চেয়ারম্যানদের জন্য দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাধ্যতামূলক

দেশের ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং আর্থিক দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং রোধে কঠোর অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এখন থেকে প্রতিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীদের দুর্নীতি ও ঘুস না নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিএফআইইউ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক কর্মকর্তাদের এই অঙ্গীকারনামা নিজ নিজ অফিসকক্ষে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। এতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে যে, ‘দুর্নীতি কিংবা ঘুস করব না, মানব না, সইব না।’ এছাড়া নতুন নিয়োগ বা পুনঃনিয়োগের ক্ষেত্রেও এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। বিএফআইইউ জানিয়েছে, ব্যাংকিং খাতে করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং ঋণ জালিয়াতি বন্ধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো গ্রাহক যদি ব্যাংকিং সেবা পেতে হয়রানির শিকার হন, তবে তিনি সরাসরি বিএফআইইউ বরাবর অভিযোগ জানাতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরাইলি হামলা চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে: ডগ ব্যান্ডো

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ফেরাতে এমডি ও চেয়ারম্যানদের জন্য দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং আর্থিক দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং রোধে কঠোর অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এখন থেকে প্রতিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীদের দুর্নীতি ও ঘুস না নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিএফআইইউ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক কর্মকর্তাদের এই অঙ্গীকারনামা নিজ নিজ অফিসকক্ষে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। এতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে যে, ‘দুর্নীতি কিংবা ঘুস করব না, মানব না, সইব না।’ এছাড়া নতুন নিয়োগ বা পুনঃনিয়োগের ক্ষেত্রেও এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। বিএফআইইউ জানিয়েছে, ব্যাংকিং খাতে করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং ঋণ জালিয়াতি বন্ধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো গ্রাহক যদি ব্যাংকিং সেবা পেতে হয়রানির শিকার হন, তবে তিনি সরাসরি বিএফআইইউ বরাবর অভিযোগ জানাতে পারবেন।