ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নেত্রকোণায় ভুগাই-কংশ নদের পানি বিপৎসীমার উপরে, হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটা ব্যাহত

নেত্রকোণা জেলায় ভুগাই-কংশ নদের পানি বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা স্থানীয় জনজীবনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একই সাথে সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং মগড়া নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এই অস্বাভাবিক জলস্ফীতি বোরো ধান কাটা ও ঘরে তোলার কাজে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে, বিশেষ করে হাওরাঞ্চল এলাকায়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, বুধবার সকাল থেকে ভুগাই-কংশ নদের পানি জারিয়া-ঝানজাইল পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এছাড়াও, জারিয়া-ঝানজাইলে ৬৮ মিলিমিটার এবং দুর্গাপুরে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কলমাকান্দায় ২১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে হাওরাঞ্চলে প্রায় ৪ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমি রয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আজ দুপুর পর্যন্ত মাত্র ৪৫ শতাংশ জমির ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। ফলে, আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগে অবশিষ্ট ফসল ঘরে তোলা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে চরম দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

নেত্রকোণায় ভুগাই-কংশ নদের পানি বিপৎসীমার উপরে, হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটা ব্যাহত

আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোণা জেলায় ভুগাই-কংশ নদের পানি বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা স্থানীয় জনজীবনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একই সাথে সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং মগড়া নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এই অস্বাভাবিক জলস্ফীতি বোরো ধান কাটা ও ঘরে তোলার কাজে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে, বিশেষ করে হাওরাঞ্চল এলাকায়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, বুধবার সকাল থেকে ভুগাই-কংশ নদের পানি জারিয়া-ঝানজাইল পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। এছাড়াও, জারিয়া-ঝানজাইলে ৬৮ মিলিমিটার এবং দুর্গাপুরে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কলমাকান্দায় ২১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে হাওরাঞ্চলে প্রায় ৪ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমি রয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আজ দুপুর পর্যন্ত মাত্র ৪৫ শতাংশ জমির ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। ফলে, আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগে অবশিষ্ট ফসল ঘরে তোলা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে চরম দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।