ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরে ভুয়া চিকিৎসক ও তার সহযোগীকে কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযানে দুই ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার চাড়াখালী এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পাবনার এম. এ. আকবর ও তার স্থানীয় সহযোগী রতন কুমার শীল। অপরাধ স্বীকার করায় আদালত আকবরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩০ দিনের কারাদণ্ড এবং রতনকে ৯০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জিয়ানগর সরকারি কলেজ মোড় ও চাড়াখালী সংলগ্ন একটি চারতলা ভবনের কক্ষ ভাড়া নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তারা ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি ও পিত্তথলির পাথরের মতো জটিল রোগের চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। এছাড়া কোয়ান্টাম রেজোন্যান্স ম্যাগনেটিক অ্যানালাইজার নামক ডিভাইসের মাধ্যমে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে অপচিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। তিনি জানান, অভিযুক্তরা ‘ঢাকা হোমিও ক্লিনিক’ নাম ব্যবহার করে রোগীদের ভুল ওষুধ ও অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করে আসছিল। এছাড়া সহযোগী রতন কুমার শীল সাধারণ মানুষকে ‘গ্রিন কার্ডের’ প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করতেন। অভিযানকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই মা ও শিশুর জন্য তারেক রহমানের উপহার

পিরোজপুরে ভুয়া চিকিৎসক ও তার সহযোগীকে কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযানে দুই ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার চাড়াখালী এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পাবনার এম. এ. আকবর ও তার স্থানীয় সহযোগী রতন কুমার শীল। অপরাধ স্বীকার করায় আদালত আকবরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩০ দিনের কারাদণ্ড এবং রতনকে ৯০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জিয়ানগর সরকারি কলেজ মোড় ও চাড়াখালী সংলগ্ন একটি চারতলা ভবনের কক্ষ ভাড়া নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তারা ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি ও পিত্তথলির পাথরের মতো জটিল রোগের চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। এছাড়া কোয়ান্টাম রেজোন্যান্স ম্যাগনেটিক অ্যানালাইজার নামক ডিভাইসের মাধ্যমে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে অপচিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। তিনি জানান, অভিযুক্তরা ‘ঢাকা হোমিও ক্লিনিক’ নাম ব্যবহার করে রোগীদের ভুল ওষুধ ও অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করে আসছিল। এছাড়া সহযোগী রতন কুমার শীল সাধারণ মানুষকে ‘গ্রিন কার্ডের’ প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করতেন। অভিযানকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।