ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সৌদি আরবের জেদ্দায় জরুরি বৈঠকে বসছেন উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) নেতারা। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর এটিই জিসিসি নেতাদের প্রথম সশরীরে উপস্থিতিতে কোনো সম্মেলন। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ড্রোন ও মিসাইল হামলার মুখে একটি সমন্বিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করাই এই বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য।
বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যে কাতারের আমির, কুয়েতের যুবরাজ, বাহরাইনের রাজা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেদ্দায় পৌঁছেছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং মার্কিন সংশ্লিষ্ট সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। যদিও গত এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তবে স্থায়ী কোনো সমাধান না আসায় এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, বর্তমান সংকটে জিসিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, লজিস্টিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলো সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে জিসিসি বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জেদ্দার বৈঠক থেকে সদস্য দেশগুলো কোনো শক্ত অবস্থান নিতে পারে কি না, সেদিকেই নজর রাখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।
রিপোর্টারের নাম 























