ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মানবাধিকার ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা ছাড়া দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে সরকার দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল, তাদের জন্য সরকারিভাবে আইনি সহায়তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, আইন যেন কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ না হয়ে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। এটিই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা মানেই বিচারকে এক প্রকার অস্বীকার করা। এই বাস্তব সংকট নিরসনে মামলার আগেই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। রাষ্ট্র যেন প্রতিটি মানুষের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে পারে, সে লক্ষ্যে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতদিয়া ঘাটে ২৫ কেজির পাঙাশ বিক্রি ৭১ হাজার টাকায়

মানবাধিকার ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা ছাড়া দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে সরকার দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। যারা আর্থিকভাবে অসচ্ছল, তাদের জন্য সরকারিভাবে আইনি সহায়তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, আইন যেন কেবল যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ না হয়ে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। এটিই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা মানেই বিচারকে এক প্রকার অস্বীকার করা। এই বাস্তব সংকট নিরসনে মামলার আগেই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। রাষ্ট্র যেন প্রতিটি মানুষের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে পারে, সে লক্ষ্যে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী।